Monday, September 29, 2014

যে জাদে বীর সাহজী তার মানেইউনোরে সম্মান ন গরে সে জাদ কি উজেই পারে?

বাঘেইসুরি পিসিপি প্রোগ্রামঅত কিল্লেক এতন গুজ্জোঙ। সিদু হাঙদক বক্তব্য রাঘেইওঙ। বাঘেইসুরি রুপকারি ইশকুলঅ মাধঅত এ অনুস্তানআন চুল্লে। সিওত ৪০০/৫০০ গুরো-ইসতুডেন-বুড়ো এতন গুজ্জোন। সিওত পিসিপি ২১ জনঅর এগ্গো কুমিতি বা্নেইএ।
সে মিতিঙঅত মর কধা কবার পালা এলে মুই, চাঙমা কধানদি কিজু কধা কুইওঙ। সে পরে বাঙাল ভাচঅনদি কধা কুইওঙ।
মুই কুইওঙ, এই যে, বাঘেইসুরি, ইচ্চে তুমি যে জাগাআনিত আঘঅ সিআনিত আমা পূর্ব পুরুষউনে বা আমা বাপ-দাদা দাঘি বজত গুজ্জোন কাপ্তেই গধাআন অহনার পরে। যে জাগা বা বিলউনোত ইচ্চে তুমি বজত গুরি আঘঅ, সে বিল বা জাগাআনিত আমা বাপ দাদা দাঘি পোল্লেম জ্যাক্কেনে ইচ্চোন, স্যাক্কেনে এই জাগাগানিত সাপ-বাঘ-ভালুক সুমুত্তো বিজবলা-ঝারবো পশু-পক্কী এলাক। এই থল জাগাগানিত, জিআনিত ইক্কো ভুই ‍গুরি মানুচ্চুনে ধান পাদন, সিআনিত এলঅ তারুম বন। সিআনি জারুল গাজ-বাজঅ বন এলঅ। স্নেহকুমার চাঙমা তা বোইবোত এ কধাগিানি লিক্কে।
সে পরে মু্ই বুদ্ধ যে সপ্ত অপরিহানীয় ধর্মর কধা কোই জিএ, সিআন শুনেলুঙ। ত্যা কুইুয়ে, সে জাদঅরে বা সে দলঅরে কনঅজনে বা কনঅ শক্তিএ ধ্বংস গুরি ন পারিবঅ যে জাততো এই ধর্মআনি পালেবঅ।
ত্যা কোই জিএ, মিতিঙঅত বা সভা বা তেম্মাঙঅত যারা এগত্তরে বজন, যারা এগত্তরে মিতিঙ শেজ গুরি হাজিরুজি গুরি উধি জান, অরথাত যারা মিতিঙঅত কোলকুজ্জে ন গরন, এগত্তরে বুজিনেই তেম্মাঙ সুল্লুক গুরিনেই একসমারে এগ্গান সিদ্ধান্ত লোই পারন, যারার বা যে দল বা যে জাদঅর এই গুণআন আঘে সিবেরে কনঅজনে থেগেই রাঘে ন পারন বা তারে পরাজিত গুরি ন পারন।
ত্যা বা ভগবান বুদ্ধ কোই জিএ, মিতিঙঅত গোপন সিদ্ধান্ত লবার পরে শত্তুরে সে সিদ্ধান্ত হবর ন পাই, কনঅজনে সিআনি শত্তুরঅরে কোই ন দোন, এ গুণআন যে দল বা জাদঅর থেবঅ, সে দল বা জাদঅরে কনঅজনে ধ্বংস গুরি ন পারন।
যে দল বা জাদে মিলেরে, গুরো, বুড়ো-বুড়ি, মাদিবুলি ন পাাজ্জেউনোরে তারা ধগে মর্যাদা দি জানে, তারারে নাকাচ ন গরে সে দল বা সে জাদঅর উন্নতি অহয়, উজন্দি যায় তারার সমাজ।
যে দল বা জাদে তারা জাদঅর বিদ্যাবলা, বুদ্ধিবলা, জ্ঞানী-গুণী, সাহজী, বীর মানেইউনোরে সম্মান গরে, মর্যাদা দ্যা সে জাদঅরে কনঅ জাদে ধ্বংস গুরি ন পারে।
যে দল বা জাদে তা জাদঅর পুরোনি গম নিয়মআনি , আল্যাক(সংস্কৃতি) পালন গরে সে দল বা জাদে তলে ন লামে, জায় উজনি।
এই নিয়মআনি যে দল বা জাদে পালন গুরিবঅ সে দল বা জাদঅরে কন্না আঘে ধ্বংস গুরিবার, বুরুচ তুলিবার?
সমাবেজঅত কোলুঙ, মু্ই কি ধর্মরে তুমি জেনজান গুরি পালঅ সেনজান ‍গুরি বিচ্চেচ জাঙ? না, ন জাঙ। বুদ্ধ এলঅ এগ্গো জ্ঞানী- মুণি মহা পুুরুষ। তারে সেনজানগুরি দিঘিনেই তা কধাগানি মুই বিচ্চেচ জাঙ। ত্যা দ জোর গুরি বিচ্চেচ জেবার কিজু ন কয়। ত্যা বানা কুইএ শর্তর কধা।
সে পরে কোলুঙ, আমি আমা জাততো সেই নিয়ম কি পালেই? আমি দ সাধারণ আদামঅ মিতিঙ গুরিলে কোল ব’দে, কুজ্জে বাজেই।
আমি দ আমা ভিদিরে কধা গোপন কধা ফাস গুরি। ফেসবুকঅতঅ দ সিআনি অনসুর দেঘা যায়।
কোলুঙ, স্নেহকুমার চাঙমা, য্যা, শান্দিবা্ইনীত এলঅ তার জুনি জাদঅ সিদু কিজু অবদান থেই থায়, তোইলে তারে দ আমাত্তুন সম্মান গরা পুরিবঅ, মর্যাদা দিআ পুরিবঅ।
বানা সন্তু লারমারে গুবিলে কি জাদঅর ভালেদি অহবঅ? আমা ভিদিরে যে, সেই ‘সন্তু লারমা’র বজঙআনি আঘে,সিআনি জুনি আমি ন কাজেই তারে গুবিলে কি সমাধা অহবঅ? সন্তু লারমা ধুক্কেন একবুচ্চে বা যিআন বুজঙ এগাহরা বুজঙ, এক ন জিনে নুত্যা সমারে, েএক ন জিনে ঊত্তে সমারে সেনজান অহলে কি অহবঅ? মনঅ ভিদিরে সন্তু লারমা দ আগে। তারে গুবি বা বজঙ কোই। অথচ, ম মনঅ ভিদিরে দ জে সেই সন্তু লারমা  আঘে!
আরঅ ভালক্কানি কধা কুইওঙ। আজলে কধা কোইনেই কী অহবঅ! ? জুনি আমি কামে করমে আক্কোই জেই ন পারি তোইলে কধা কোইনেই কী অহবঅ!

Friday, September 26, 2014

ডিয়ার পার্বত্যমন্ত্রী শিক্ষার জন্য ভিক্ষা করার দরকার নেই

লেখাটি লেখার সময় হেডিঙ কী দেবো তা নিয়ে চিন্তা করলাম কিছুক্ষণ। প্রথমে চিন্তা করলাম হেডিঙ দেবো এভাবে- মন্ত্রীবর, ভিক্ষা ’মাগার’ দরকার নেই, ‘কুকুর’ সামলান! কিন্তু তা যুৎসই মনে করলাম না। তারপর ভাবলাম, হেডিঙ দেবো এভাবে, ডিয়ার পার্বত্যমন্ত্রী, মায়ের চেয়ে মাসীর দরদ দেখাবার দরকার নেই। কিন্তু ভাবলাম, এত সরাসরি ’হিট’ করার মতো হেডিঙ বা  শিরোনামা না দিয়ে একটু মাইল্ড হেডিঙ দিই। তাই উপরের হেডিঙ দিলাম।
প্রসঙ্গে চলে আসি। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বীর বাহাদুর ঊশেচিঙ এমপি আজ ২৬ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি এসেছেন(আদতে তিনি হলেন প্রতিমন্ত্রী, কিন্তু আমি ভাবলাম সরকার যদিওবা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তাকে মন্ত্রী পদমর্যাদা না দিন, অন্তত আমার লেখায় তাকে ’মন্ত্রী’ সম্বোধন করে দুধের  ঘোলে মেটাবার চেষ্টা করি। তাই তাকে মন্ত্রীই বললাম!)। তিনি খাগড়াছড়ি টাউন হলে আয়োজিত ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। সেখানে তিনি অনেক কথার মধ্যে খুবই ’প্রশংসনীয়’ ‘উজ্জীবিত করার  মতো’ ‘হাততালি পাওয়ার মতো’ কিছু কথা বলেছেন। এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা এসব খবর খুবই সত্বর জানতে সমর্থ হলাম।
তিনি সেই সভায় বলেছেন,
পিছিয়ে পড়া পার্বত্যাঞ্চলকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার কোন বিকল্প নাই। যদি সরকারী অর্থ সহযোগিতা পাওয়া না যায় প্রয়োজনে শিক্ষার জন্য ভিক্ষা মাগবো (করবেন), তবুও পার্বত্যাবাসীকে শিক্ষার দিক থেকে এগিয়ে নেব। (তথ্যসূত্র: সিটিজিটাইমস ওয়েবসাইট)
খুবই প্রশংসনীয় কথা! হাততালি পাবার মতো কথা! অর্থাৎ তিনি যে আন্তরিক শিক্ষানুরাগী একজন ব্যক্তি তা তার কথামতো বোঝা যায়। এবং তিনি যে আদতেই শিক্ষার প্রতি ভালবাসা বা অনুরাগ প্রদর্শন করেন, তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকবে না তা সংগতভাবে বিবেচিত হবে বলেই বোধ হয়। কারণ তিনি নিজেই একজন উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি। সুতরাং তিনি জানেন, শিক্ষার মূল্য অনেক অনেক বেশি।
কিন্তু তার এই শিক্ষার প্রতি ব্যক্তিগত ‘ভালবাসা’ বা ’অনুরাগ’-এর প্রতি সম্মান রেখেও আমাকে কিছু কথা বলতে হচ্ছে। এবং তা না বলে থাকা সংগত হবে না বা সচেতনতাবোধের প্রকাশ পাবে না বলেই মনে হলো। তাই এই লেখার অবতাড়না।
তিনি সরকারের কাছ থেকে অর্থ সাহায্য পাবেন অথবা পাবেন না তা নিয়ে কথা বলবো না। আমি বলতে চাই, তিনি যা বলেছেন তা যদি আদতেই বিশ্বাস করেন বা করতে চান তবে বোধকরি তিনি এতসব বাগাড়ম্বর বাদ দিতে পারেন। পার্বত্যাঞ্চলে শিক্ষার দিক থেকে পিছিয়ে থাকার যে কারণসমূহ তা তিনি চিহ্নিত করতে পারেন। এবং তিনি যদি সেই কারণসমূহের খোজ নেন তবে তিনি দেখবেন, তার গড়া সরকার বা এই শাসকদের গড়া সরকারই পার্বত্যাঞ্চলে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের আসল হোতা বা মূল অপরাধী
সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম স্থানীয় সরকার পরিষদ(বর্তমানে তা পার্বত্য জেলা পরিষদ নামে পরিচিতি) গঠন করেছে। এবং অনির্বাচিত তল্পিবাহক কিছু ব্যক্তিকে সেখানে বসিয়ে রেখে তিন পার্বত্য জেলার এই প্রশাসনিক পরিষদের কাজ চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কথা ছিলো এই পরিষদসমূহের ‍নির্বাচন তারা দেবে। কিন্তু, তা কথার কথা মাত্র! দশক-যুগ পেরিয়ে নতুন দশক ও যুগ শেষ হবার পথে কিন্তু এই পরিষদকে ‘জনপ্রতিনিধিত্বশীল’ করার দিকে সরকারের রা নেই, চেষ্টা তদবির পর্যন্ত নেই!
কথা হলো, সরকার তার প্রশাসনিক রাজনৈতিক ক্ষমতাসম্পন্ন বিভাগসমূহ ভাজা করে বা রান্না করে বা কী যা তা করবে তা নিয়ে মাথা ব্যথা করার কী ই বা প্রয়োজন!
কিন্তু, এতেই বিবাদ যত বিপত্তি!
এই জেলা পরিষদের পদসমূহে তিন পার্বত্য জেলায় সরকার যে সকল অনির্বাচিতদের তাদের তল্পিবাহক হিসেবে বসিয়ে রাখে তারা যে কী চীজ, তারা যে পার্বত্যাঞ্চলের কী ক্ষতি তস্য ক্ষতি তস্যতর জঘন্যতম ক্ষতি করে যাচ্ছে সেদিকে খেয়াল করলে, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করলে দিন ও রাতে ঘুম হারাম হতে বাকী থাকার কথা না অন্তত যারা সচেতন তাদের জন্য এটাই সত্য!
এতসব তস্যতর জঘন্য কী ক্ষতি এই পরিষদের সরকারী মনোনীতরা করে যাচ্ছে আমি সেদিকে যাবো না। আজ শুধু বলবো, এই পরিষদের দ্বারা পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষার কী ক্ষতি হচ্ছে তা নিয়ে। এখানে বলে রাখি, আমার কাছে কোনো ডাটা বা তথ্য বা পরিসংখ্যান কিন্তু নেই।
আমার কাছে আছে ইতিহাসের সাবঅল্টার্ন নামীয় সেই সুবিশাল তথ্য! শত ডজন মানুষের অভিজ্ঞতা যা অলিখিত!
জেলা পরিষদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারে। আর এই শিক্ষক নিয়োগের সুবাদে জেলা পরিষদের অনির্বাচিত সদস্যরা একজন শিক্ষক নিয়োগ প্রদানের মাথাপিছু ‘উপরি’ ’পাওনা’ ’ঘুষ’ ধার্য করে ৩ বা ৪ বা ৫ বা ৬ বা ৭ লাখ বা তারও বেশি পরিমাণ টাকা।
শিক্ষক হতে তাই ‘মেধার’ দরকার নেই। দরকার টাকা। দরকার সুবিধামত একটি লাইনের বা লিংকের! এভাবে একজন ক্লাশ ফাইভ পাশ করা ব্যক্তি(নারী বা পুরুষ) বা যে ব্যক্তির নিজের লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগই নেই সেই পেয়ে যায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদের লোভনীয় চাকুরি।
অতপর, এই সকল শিক্ষক নামীয় ব্যক্তিরা চাকুরি পেয়ে যায় অর্থের জোরে, লাইন বা লিংকের জোরে।
তারপর তাদের কাছ থেকে শিক্ষা প্রদান বা শিক্ষা দান বা ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়া শিখিয়ে দেয়া আশা করা যায় তবে পাওয়া যায় যে অতি নগন্য তা ই যেন দুর্বৈব সত্য!
এবং এতে শত শত অ-শিক্ষক নামীয় শিক্ষকদের নিয়েই আজ পার্বত্যাঞ্চলের প্রাইমারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ ভর্তি হয়ে আছে! তবে ব্যতিক্রমও যে নেই তা তো নয়! কিন্তু ব্যতিক্রম ব্যতিক্রমই।
আর এই কারনেই আজ পার্বত্যাঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থার ‘বারোটা’ বেজে যেতে বসেছে।
আজ সেদিকে খেয়াল করলে মাথা ব্যথা করে, চুল ছিড়তে ইচ্ছে করে।
অথচ, সেই সরকারেরই একজন মন্ত্রীবর শিক্ষানুরাগী ‘গরু মেরে জুতা দান’ করে বক্তব্য দেন! তিনি বলেন, বৃত্তির টাকা ২০ লাখ থেকে  ৫ লাখ বাড়িয়ে ২৫ লাখ করেন। এতেই তিনি বাহবা পান!
আজকাল কী যে দিনকাল পড়েছে! গরু মারার পরে জুতা দান করলেই বোধহয় আজ সবাই বাহবা প্রদান করে থাকেন!