Saturday, July 11, 2015

ফেসবুকে রাজনৈতিক আলোচনায় আমাদের জুম্মদের অসামাজিক আচরণ!


ইন্টারনেট বা অন্তর্জাল বা ডিজিটাল মাধ্যম যেভাবেই এই বর্তমান আধুনিক তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তিকে অভিহিত করে থাকি, এটা বলা সংগত ও বাস্তবসম্মত যে, এই ইনফরমেশন টেকনোলজি আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জাতীয় সত্ত্বার অন্তর্ভুক্ত একটি বিশাল সংখ্যাবহুল অংশকে নানাভাবে ওতপ্রোতভাবে প্রভাবিত করেছে। এই মাধ্যমটির কল্যাণেই আজ আমরা আমাদের ক্ষীণমাত্রার চেঁচামেচি বা চিৎকার বা অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াইকে বেশ বৃহৎ এক পরিসরে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি। বিশেষভাবে বৃহত্তর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আমাদের সেই সুযোগটি হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও বিষাদগ্রস্ততার সাথে বলতে হয় বা হচ্ছে যে, আমরা বিশাল অন্তর্জালিক এই বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ মাধ্যমে যেন অসামাজিক আচরণ তথা সামাজিকতা বিশৃঙ্খলার মূর্ত প্রতীক চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করতে বদ্ধপরিকর! আমরা যেন নিজেদের অসামাজিক আচরণকে প্রস্ফুটিত করতেই বেশি সোচ্চার! আমরা যেন নিজেদের দায়বোধহীন অসামাজিক সত্ত্বা হিসেবে পরিচিতির তকমা দিতে সচেষ্ট! আমরা যেন নিজেদর ক্রমশ ‘অসামাজিক’ই করে তুলছি!
বিশেষ করে বলতে হয়, রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান, এ বিষয়ে আলোচনার দিক থেকে আমরা যেন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হিসেবে জাহির করতে ব্যতিব্যস্ত থাকি!
আরো সুনির্দিষ্টভাবে বলতে হয়, আমরা ফেসবুকের মতো বৃহৎ বিশ্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি হিসেবে যাদের জাহির করতে দেখি, বা নিজেদের প্রচার করতে দেখি বা যাদের সক্রিয় থাকতে দেখি, তারা যেন ক্রমাগত মাত্রায় নিজেদের ‘নিজস্ব পরিচয়’কে তুলে ধরতে যারপরনাই ধনুর্ভঙ্গ পণ তথা শপথ পাঠ করেছেন এবং সে অনুযায়ী কর্মবীরের পরিচয়ে আবির্ভূত হয়েছেন।
কিন্তু খুব দুঃখ ও অনুযোগের সাথে বলতে হচ্ছে, সামাজিকতার অন্যতম প্রথম শর্ত হলো, নিজের পরিচয় আগে প্রদান করা! আমরা কোথাও বেড়াতে গিয়ে যেমন অন্য অপরিচিতের সাথে দেখা হলে পরষ্পরের পরিচয় দিয়ে বা পরিচয় নিয়ে তারপর খোশগল্প করি বা অন্যান্য সামাজিকতার চর্চা করে থাকি, ঠিক তেমনি ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রথমেই নিজেদের পরিচয় আমাদের দেয়া সামাজিক আচরণ বিধানসম্মত হিসেবেই আমরা মনে করতে পারি। কিন্তু ফেসবুকে যেন এখন পরিচিতির দেখা্ মেলে না!
বরং, ভিন্ন নাম গ্রহণ করে, ছদ্মনাম ব্যবহার করে, ভুয়া নাম পরিচয়ের পিরিচিতি দিয়ে আমরা কথা বলতে,লিখতে, গবাগবি করতে, নিন্দা-মন্দ-গাল-চিৎকার-চেঁচামেচি করতে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি!
এবং, আরো ভয়ানক হচ্ছে, এই সকল ছদ্মবাদী-ভিন্ন নামীয়-ভূয়া পরিচয়ধারীগণ স্পর্শকাতর বিষয়ে নিজেরা প্রতিনিধি সেজে ক্রমাগত কথা লিখে যাচ্ছেন। এবং এই কথা লেখালেখির মাধ্যমে যে তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে বিষিয়ে তুলছেন তার কথা তারা মনে রাখছেন না।
একে দায়িত্বশীলতা বলা যায় কি না তা নিয়ে প্রশ্ন করা অপ্রাসঙ্গিক না হয়ে যায় না।
একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি দায় নিয়েই কথা বলে থাকেন। কিন্তু এই সকল ভিন্ন নামধারী-ছদ্মবেশী -ভুয়া পরিচয়ধারীগণ যা কথা বলেন তা তারা দায় নিয়ে যেমন বলেন না, তেমনি তারা নিজেরাই ‘অস্পষ্ট-ছায়া-আবছায়া’ হওয়ার কারণে তাদের ‘শক্তিশালী’ ‘প্রভাব বিস্তারকারী’ বা ‘গৃহদাহ বিস্তারকারী’ কথাবার্তা লেখালেখির কারণে বৃহত্তর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে ভয়ানক-চিন্তাবিনাশী-সমাজ চেতন-অচেতনতা সৃষ্টিকারী ছায়াপাত ঘটাচ্ছে তা যেন তারা জেনেও না জানার ভান করে থাকেন এবং নিজের বা নিজেদের পরিচয় চিহ্নিত না করার কারণে তারা ‘প্রভাব’এর দায় থেকে ‘দায়মুক্তি’ পেয়ে যান সহজেই!
আর, এতে তিন সংগঠনকে যে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয় তার চর্চাও করা হয়ে ওঠে না। জবাবদিহিতা যেন লা-জবাব বেওয়ারিশ হয়ে যায়!!
এক অর্থে কড়াভাবে বললে বলা যেতে পারে, এভাবে তিন সংগঠনের কর্তাব্যক্তিদের অদায়িত্বশীল, জবাবদিহিবিহীন থাকার প্রবণতা যেন প্রকাশিত হয়।
কী নির্মম অবিচারের সম্মুখীন হচ্ছি আমরা পার্বত্য জুম্ম জনতা!
এখানে বলে রাখা ভালো যে, ছদ্ম নামে বা ভিন্ন নামে বা ফেক বা ভুয়া আইডি ব্যবহার করে আলোচনা বা কথা বলা বা লেখালেখি করার ক্ষেত্রে আমি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা বা তা করা যাবে না এমন কথা এখানে বলছি না।
শুধু তিন সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে যে তা করা হচ্ছে তার কথাই বলছি। এবং তা যে ক্ষতি বৈ কিছই ফল উৎপাদন করছে না তার কথাই বলছি।
এছাড়া বলা দরকার যে, এতে যেমন তিন সংগঠনের সত্যিকারের পরিচিতি চাপা পড়ে যায়, তেমনি ভিন্ন নাম ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে সাবোটাজ করার সুযোগও বিস্তৃত করে দেয়া হয়ে যায়। এটা বরং আত্মবিনাশী বা বুমেরাং হয়ে ওঠে আমাদের জুম্ম লড়াইয়ের জন্য।
এ বিষয়ে তিন সংগঠনের কর্তাব্যক্তিগণ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভোক্তাগণ , আমাদের চেতনাবোধ সম্পন্ন জনগণ আরো সিরিয়াস হয়ে চিন্তাভাবনা করবেন এই প্রত্যাশা করা ছাড়া আমাদের কি ই বা করার আছে?!!!
তারিখ: ১১ জুলাই, ২০১৫

Friday, July 10, 2015

রাজনীতির চিদে মরে জুগঅ ধক কামাড়ে থাই!
রাজনীতির চিদে, হিলঅর চিদে মরে জুগঅ ধক কামাড়েই থাই! চিদে গুরিবার ন চ্যালেও চিদেআনি সুমি থাই, চিদঅত ফুদে দি জাই!
কধা এলঅ একবজর সঙ এজেত্তে নভেম্বর,২০১৫ সঙ ফেসবুকঅত রাজনীতির লেঘালেঘি ন গুরিম! হালিক এগ্গান মন্তব্য হুব গুরিবার পরানে কঅর!
সিআন অহলঅদে-
আমা রাজনীতির ঘরআনঅত ভ্যান্টিলেটর বা ভাব জেবার নল/কানা/ফাইপ নেই! নেই কিনে বানা পজা বাচ বাইর অহয়, বিশেচগুরি ফেসবুকঅত!
বেগঅর মনঅত থেবঅ, হাগারাসুরিত বেচ হিজুদিন আগে টয়লেট-অ গাদ-অত পুরিনেই পোল্লেম ৩ জন, তারপরে ২ জন গুরি মোট ৫ জন মানুচ মুজ্জোন।
কেউ কি তোলেই চিওন এঞ্জান ঘদনা হিত্তেই উইয়ে?
টয়লেট-অ গাত বানাদেও আহবা যেই পারে পারা বা বিষাক্ত গ্যাস বাইর ওই যে পারে পারা কানা বা নল রাঘেই দিয়া পরে।
হয়ত যারা মুজ্জোন তারা টয়লেটঅত বিষাক্ত গ্যাস বা ভাব জেবার কানা/নল/ফাইপ বোজেই নহ দোন! স্যানে বিষাক্ত গ্যাস বেক্কানি গাদঅত জমা থেইনেই এলঅ। আর জ্যাক্কেনে তারা গাদঅত সুম্মোন, সে বিষাক্ত গ্যাসঅ ভাবঅত তারা মুরি জিওন।
মুই ইক্কো চিদে গরং, আমা জাদতোর, আমা জুম্মোউনোর সেই অবস্থা অল-অ নাহি হিজেনি! নয় এঞ্জান 'বাচ' হিত্তেই বাইর অহয়!?
রাজনৈতিক ঘরত আলোচনা শুনিলে ভুরুং ভুরুং বাচ বাইর অয়!
আমা জাদঅত, আমা জুম্মোউনোর হারাপ-বজঙ ভাব বা বিষাক্ত গ্যাস/চিদেচাত্তা/ভাবনা/মনঅ কধা বাইর অহবার সেকন্ডারি কানা/নল/ফাইপ ন থানাই মুল কানাবোন্দিই সে ভাব/গ্যাস/হারাপ/বজঙ চিদে কধাআনি বাইর অহয়!
ফেসবুকঅত সে ওমিয়ে অগলা ইচ্চে চিদে/ভাব/গ্যাসঅ বাচ আমি পেই।
স্যানিটারি টয়লেট বানাদে দ নিয়ম পদ্ধতি আঘে, স্যানিটারি বা গঠনমুলক রাজনীতির চরজা গত্তে 'নিয়ম পদ্ধতি' হন্না থিগ গুরি দিব?
ব্যাগে দ আমি চেলা! বেক বুঝদার!
কারঅত্তুন কননা কম বুঝে!
(দুঃখিত, এক বজর সং হিল-অ রাজনীতি বিষয়ে হধা ন হোনেইও থেবার চেইনেইও হধা কোই পেলুং কিনেই)।

Friday, June 12, 2015

দেশপ্রেম বদমায়েশীর শেষ আশ্রয়

স্যামুয়েল জনসন নামে এক ব্যক্তি খুব জুতসই একটি কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন- Patriotism is the last refuge of a scoundrel(লিংক). আরো লিংক। এই উদ্ধৃতির বাংলা করলে দাঁড়ায়- দেশপ্রেম হলো একজন বদমায়েশের শেষ আশ্রয়। এই 'বদমায়েশী' বোশ বোঝা যেতো কয়েকবছর আগে, যখন পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে অনেকে লেখালেখি করতেন,বলতেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্ন করার চক্রান্ত চলছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে 'দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী' যা করছে সব ভালোই করছে, এই কথাটি বলে তারা পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন রেখে দিতেন। এখন তারা তেমন জোরে কথা না বললেও তার ভুত যে দেশের প্রশাসনযন্ত্রের মধ্যে রয়েছে তা নানাভাবে উপলব্ধি করা যায়। তবে আজকের লেখা পার্বত্য চট্টগ্রামকে নিয়ে নয়। আজকের লেখা 'দেশপ্রেমিক'দের নিয়ে। 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর,তুরিন আফরোজ, যিনি একজন ব্যারিস্টার, তাঁকে কে বা কারা একটি চিঠি দিয়েছেন। 
সমকাল পত্রিকায় ভাষ্যে-  
 চিঠিতে অশ্লীল ভাষায় ব্যক্তিগত আক্রমণ করে তুরিন আফরোজকে হুমকি ও গালাগাল করা হয়েছে। 
আর এই হুমকি সম্বলিত চিঠি বিষয়ে তিনি সমকাল প্রত্রিকাকে বলেছেন- 

জানতে চাইলে তুরিন আফরোজ সাংবাদিকদের বলেন, 'ব্রিটিশ নাগরিক ডেভিড বার্গম্যানের সাজায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ‘অবমাননাকর’ বিবৃতি দেওয়ায় ট্রাইব্যুনাল-২ এর দণ্ডপ্রাপ্ত ডা.জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ আদালত অবমাননার অভিযোগ  থেকে অব্যাহতি পাওয়া ২২ নাগরিকের কেউ এ চিঠি পাঠিয়ে থাকতে পারেন। কারণ চিঠির বিষয়বস্তুতে এ বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে।'

একজন প্রখ্যাত ব্যারিস্টার, যিনি 'আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল'এর প্রসিকিউটর, তিনি বলছেন, '২২ নাগরিকের কেউ এ চিঠি পাঠিয়ে থাকতে পারেন'। আমরা জেনেছি, তিনি তাকে দেয়া হুমকি নিয়ে একটি জিডিও করেছেন। তবে তিনি জিডিতে কী লিখেছেন, কার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, হুমকির জন্য কাকে বা কাদের সন্দেহ করছেন সে বিষয়ে কিছু বলেননি। সংবাদ মাধ্যমসূত্রে জানতে পেরেছি, পুলিশ বলেছে, তদন্তের স্বার্থে তা বলা যাবে না! লিংক। কিন্তু, আমাদের কথা হলো, তিনি শুধুমাত্র 'ধারণা'র ভিত্তিতে কেন '২২ নাগরিক'কে সন্দেহ করবেন? 
এ বিষয়ে বাংলানিউজ২৪.কম এর লিংক শেয়ার করে আমি ফেসবুকে মন্তব্য করি- 
ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ 'কোত্থেকে' কোন অজনা জায়গা থেকে কার লেখা একটি চিঠি পেয়েছেন। চিঠিতে হুমকি ছিলো বোধহয় তার বিরুদ্ধে। আর তিনি একজন ব্যারিস্টার, তিনি সেই চিঠি পাবার পরে 'রাজনীতি' শুরু করেছেন।তিনি বললেন,
" ব্রিটিশ নাগরিক ডেভিড বার্গম্যানের সাজায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ‘অবমাননাকর’ বিবৃতি দেওয়ায় ট্রাইব্যুনাল-২ এর দণ্ডপ্রাপ্ত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ আদালত অবমাননার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়া ২২ নাগরিকের কেউ এ চিঠি পাঠিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করছেন তুরিন আফরোজ। তিনি বলেন, চিঠির বিষয়বস্তুতেও এটি উল্লেখ থাকায় তার এ ধারণা হচ্ছে।" (বাংলানিউজ২৪.কম)
তিনি 'ধারণা' করছেন। একজন 'ব্যারিস্টার' শুধুমাত্র 'ধারণা'র ভিত্তিতে কারো বিরুদ্ধে, ২২ নাগরিকের বিরুদ্ধে, কথা বলবেন, তাও আবার মিডিয়ায়(!), এটাই এখন 'রাজনীতি'!
ঐ 'ধারণা'র ভিত্তিতে তিনি. একজন 'ব্যারিস্টার' কথা বলেন, তা আজিকে দেখলাম! তাজ্জব বনে ঝাড়ে গেলাম!

 ২২ নাগরিকের মধ্যে আনু মুহাম্মদ একজন। এছাড়া অন্য মিডিয়ায় দেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও বিভিন্ন অধিকার আদায় ও দেশের জনগণের স্বার্থরক্ষার লড়াইয়ে অগ্রনী ভুমিকা পালনকারী আনু মুহাম্মদের নাম নেয়া হয়েছে বলে ফেসবুক সূত্রে জানতে পারলাম। 

এখন দেশে কাউকে হুমকি দেয়া যেন ডাল আর ভাতের মতন! যে কেউ ইচ্ছে করলেই হুমকি দিতে পারেন! তবে এখনকার ট্রেন্ড হলো- হাতে লেখা চিঠিতে হুমকি দেয়া! এটা নতুন ট্রেন্ড! এবং বেশ বাজারও পাচ্ছে! অলরেডি অনেকজনককে হুমকি দেয়া হয়েছে। 
ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকেও হুমকি দেয়া হয়েছে সেই 'চিঠি' দিয়েই। তিনি হুমকি পাবার পরে যেভাবে '২২ নাগরিকের' বিরুদ্ধে লেগেছেন, এবং নানাভাবে যেভাবে আনু মুহাম্মদকে এতে জড়ানোর চেষ্টা অনেকে করছেন, তাতে 'তাজ্জব বনে ঝাড়ে' যাওয়া ছাড়া কিছুই করার দেখছি না! 
এখন, সবচেয়ে বেশি চলছে, 'দেশপ্রেম' নিয়ে 'খেলা'। আগে ছিলো, 'ওই মিয়া, তোমার দাড়ি কই?, সেই যুগের। এখন বলতে শুনি, এই মি./মিজ/মিসেস(মিয়া নয়), তোমার 'দেশপ্রেম' কই?
তার এই ভাবসাব দেখে স্যামুয়ের জনসনের সেই বিখ্যাত উক্তি বারবার মনে পড়ছে- তিনি বলেছেন এবং অনেক সময় বারবার তার সেই কথা অনেকেই বলছেন, আমিও উদ্ধৃতি শেয়ার করছি- একজন বদমায়েশের শেষ আশ্রয় হলো, দেশপ্রেম।
এই উদ্ধৃতির সারকথায় সায় দিয়ে বলতে ইচ্ছে করে, যারাই এখন বেশিমাত্রায় 'দেশপ্রেম' দেখায় তাদেরই আমার কেন জানি 'বদমায়েশ' 'বদমায়েশ' মনেহয়। 
এরা দেশের জনগণের প্রতি প্রেম দেখায় না, দেশপ্রেমও দেখায়না, তারা বদমায়েশীসুলভ 'দেশপ্রেম'এর পরাকাষ্ঠা দেখায় বলেই আমার মনেহয়। 
এই 'দেশপ্রেম' নিয়ে রাজনীতির খেলা আশাকরি তুরিন আফরোজ, যিনি একজন ব্যারিস্টার, তিনি খেলবেন না। য
 

সর্বাধিক পঠিত

ইতিহাসের ভ্রান্তি থেকে বিভ্রান্তিকর শিক্ষাঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রসংগ-১৯৪৭ সাল

ইতিহাসের ভ্রান্তি থেকে বিভ্রান্তিকর শিক্ষা তারিখঃ ১৬ আগস্ট, ২০১৭ ইতিহাস একটি জাতি বা জাতিসত্তা তথা জাতিসমষ্টিকে নানাভাবে প্রভাবিত কর...