Friday, June 12, 2015

দেশপ্রেম বদমায়েশীর শেষ আশ্রয়

স্যামুয়েল জনসন নামে এক ব্যক্তি খুব জুতসই একটি কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন- Patriotism is the last refuge of a scoundrel(লিংক). আরো লিংক। এই উদ্ধৃতির বাংলা করলে দাঁড়ায়- দেশপ্রেম হলো একজন বদমায়েশের শেষ আশ্রয়। এই 'বদমায়েশী' বোশ বোঝা যেতো কয়েকবছর আগে, যখন পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে অনেকে লেখালেখি করতেন,বলতেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্ন করার চক্রান্ত চলছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে 'দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী' যা করছে সব ভালোই করছে, এই কথাটি বলে তারা পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন রেখে দিতেন। এখন তারা তেমন জোরে কথা না বললেও তার ভুত যে দেশের প্রশাসনযন্ত্রের মধ্যে রয়েছে তা নানাভাবে উপলব্ধি করা যায়। তবে আজকের লেখা পার্বত্য চট্টগ্রামকে নিয়ে নয়। আজকের লেখা 'দেশপ্রেমিক'দের নিয়ে। 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর,তুরিন আফরোজ, যিনি একজন ব্যারিস্টার, তাঁকে কে বা কারা একটি চিঠি দিয়েছেন। 
সমকাল পত্রিকায় ভাষ্যে-  
 চিঠিতে অশ্লীল ভাষায় ব্যক্তিগত আক্রমণ করে তুরিন আফরোজকে হুমকি ও গালাগাল করা হয়েছে। 
আর এই হুমকি সম্বলিত চিঠি বিষয়ে তিনি সমকাল প্রত্রিকাকে বলেছেন- 

জানতে চাইলে তুরিন আফরোজ সাংবাদিকদের বলেন, 'ব্রিটিশ নাগরিক ডেভিড বার্গম্যানের সাজায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ‘অবমাননাকর’ বিবৃতি দেওয়ায় ট্রাইব্যুনাল-২ এর দণ্ডপ্রাপ্ত ডা.জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ আদালত অবমাননার অভিযোগ  থেকে অব্যাহতি পাওয়া ২২ নাগরিকের কেউ এ চিঠি পাঠিয়ে থাকতে পারেন। কারণ চিঠির বিষয়বস্তুতে এ বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে।'

একজন প্রখ্যাত ব্যারিস্টার, যিনি 'আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল'এর প্রসিকিউটর, তিনি বলছেন, '২২ নাগরিকের কেউ এ চিঠি পাঠিয়ে থাকতে পারেন'। আমরা জেনেছি, তিনি তাকে দেয়া হুমকি নিয়ে একটি জিডিও করেছেন। তবে তিনি জিডিতে কী লিখেছেন, কার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, হুমকির জন্য কাকে বা কাদের সন্দেহ করছেন সে বিষয়ে কিছু বলেননি। সংবাদ মাধ্যমসূত্রে জানতে পেরেছি, পুলিশ বলেছে, তদন্তের স্বার্থে তা বলা যাবে না! লিংক। কিন্তু, আমাদের কথা হলো, তিনি শুধুমাত্র 'ধারণা'র ভিত্তিতে কেন '২২ নাগরিক'কে সন্দেহ করবেন? 
এ বিষয়ে বাংলানিউজ২৪.কম এর লিংক শেয়ার করে আমি ফেসবুকে মন্তব্য করি- 
ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ 'কোত্থেকে' কোন অজনা জায়গা থেকে কার লেখা একটি চিঠি পেয়েছেন। চিঠিতে হুমকি ছিলো বোধহয় তার বিরুদ্ধে। আর তিনি একজন ব্যারিস্টার, তিনি সেই চিঠি পাবার পরে 'রাজনীতি' শুরু করেছেন।তিনি বললেন,
" ব্রিটিশ নাগরিক ডেভিড বার্গম্যানের সাজায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ‘অবমাননাকর’ বিবৃতি দেওয়ায় ট্রাইব্যুনাল-২ এর দণ্ডপ্রাপ্ত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ আদালত অবমাননার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়া ২২ নাগরিকের কেউ এ চিঠি পাঠিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করছেন তুরিন আফরোজ। তিনি বলেন, চিঠির বিষয়বস্তুতেও এটি উল্লেখ থাকায় তার এ ধারণা হচ্ছে।" (বাংলানিউজ২৪.কম)
তিনি 'ধারণা' করছেন। একজন 'ব্যারিস্টার' শুধুমাত্র 'ধারণা'র ভিত্তিতে কারো বিরুদ্ধে, ২২ নাগরিকের বিরুদ্ধে, কথা বলবেন, তাও আবার মিডিয়ায়(!), এটাই এখন 'রাজনীতি'!
ঐ 'ধারণা'র ভিত্তিতে তিনি. একজন 'ব্যারিস্টার' কথা বলেন, তা আজিকে দেখলাম! তাজ্জব বনে ঝাড়ে গেলাম!

 ২২ নাগরিকের মধ্যে আনু মুহাম্মদ একজন। এছাড়া অন্য মিডিয়ায় দেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও বিভিন্ন অধিকার আদায় ও দেশের জনগণের স্বার্থরক্ষার লড়াইয়ে অগ্রনী ভুমিকা পালনকারী আনু মুহাম্মদের নাম নেয়া হয়েছে বলে ফেসবুক সূত্রে জানতে পারলাম। 

এখন দেশে কাউকে হুমকি দেয়া যেন ডাল আর ভাতের মতন! যে কেউ ইচ্ছে করলেই হুমকি দিতে পারেন! তবে এখনকার ট্রেন্ড হলো- হাতে লেখা চিঠিতে হুমকি দেয়া! এটা নতুন ট্রেন্ড! এবং বেশ বাজারও পাচ্ছে! অলরেডি অনেকজনককে হুমকি দেয়া হয়েছে। 
ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকেও হুমকি দেয়া হয়েছে সেই 'চিঠি' দিয়েই। তিনি হুমকি পাবার পরে যেভাবে '২২ নাগরিকের' বিরুদ্ধে লেগেছেন, এবং নানাভাবে যেভাবে আনু মুহাম্মদকে এতে জড়ানোর চেষ্টা অনেকে করছেন, তাতে 'তাজ্জব বনে ঝাড়ে' যাওয়া ছাড়া কিছুই করার দেখছি না! 
এখন, সবচেয়ে বেশি চলছে, 'দেশপ্রেম' নিয়ে 'খেলা'। আগে ছিলো, 'ওই মিয়া, তোমার দাড়ি কই?, সেই যুগের। এখন বলতে শুনি, এই মি./মিজ/মিসেস(মিয়া নয়), তোমার 'দেশপ্রেম' কই?
তার এই ভাবসাব দেখে স্যামুয়ের জনসনের সেই বিখ্যাত উক্তি বারবার মনে পড়ছে- তিনি বলেছেন এবং অনেক সময় বারবার তার সেই কথা অনেকেই বলছেন, আমিও উদ্ধৃতি শেয়ার করছি- একজন বদমায়েশের শেষ আশ্রয় হলো, দেশপ্রেম।
এই উদ্ধৃতির সারকথায় সায় দিয়ে বলতে ইচ্ছে করে, যারাই এখন বেশিমাত্রায় 'দেশপ্রেম' দেখায় তাদেরই আমার কেন জানি 'বদমায়েশ' 'বদমায়েশ' মনেহয়। 
এরা দেশের জনগণের প্রতি প্রেম দেখায় না, দেশপ্রেমও দেখায়না, তারা বদমায়েশীসুলভ 'দেশপ্রেম'এর পরাকাষ্ঠা দেখায় বলেই আমার মনেহয়। 
এই 'দেশপ্রেম' নিয়ে রাজনীতির খেলা আশাকরি তুরিন আফরোজ, যিনি একজন ব্যারিস্টার, তিনি খেলবেন না। য
 

Wednesday, May 6, 2015

এগ্গো মানজে তা হুরোল-আন আহজেইএ

চীন দেজঅর এগ্গো পজ্জন। ভালকদিন বজর আগঅর লেঘা। বুওএই নাঙে একজনে ২২০০ বজর আগে এ গল্পবো লিক্কে।শিক্কে ল’বার মতঅ গল্প।
তা হুরোলআন আহজেইনেই ত্যা বেগঅরে সন্দেহ গরে
তা হুরোলআন আহজেইনেই ত্যা বেগঅরে সন্দেহ গরে
এগ্গো মানজে তা হুরোলআন আহজেইএ। হুরোল্ত্যআনদোআ ত্যা দারবো গাচ কাবিদঅ। তা হুরোলআন ত্যা ভালক জাগাত তোগেই চেলঅ। হালিক ন পেলঅ। কুদু ফেলেই ইচ্চে না কন্না চুর গুরি তা হুরোলআন নেজেইএ সিআন লোইনেই ত্যা চিদে গুরি চেলঅ। তা ঘরঅ কুরে এগ্গো গিরে থেদঅ। তারার এগ্গো গুরো শঅ এলঅ। আদিক্কেগুরি ত্যা তা ঘরঅ কুরে গুরো শঅবোরে দিঘিলঅ। তা মনান ভজমান সন্দেহ সন্দেহ গুজ্জে মন এলঅ। ত্যা মনে মনে সন্দেহ গুরিলঅ, তা ঘরঅ কুরে এ গুরো শ’বো-ই তা হুরোলআন চুর গুজ্জে। সিত্তুন ধুরি ত্যা সে গুরো শ’বোরে সন্দেহ চোঘে চে’দঅ। ত্যা দিঘিদঅ বা চিদে গত্ত, গুরো শ’বো চেহারাআনঅ চুরঅ ধক, আহদেদেও চুরঅ ধক, কধা কয়দেও চুরঅ সা’আন। ত্যা দিন দিন তারে সন্দেহ চোঘে চাআ ধল্লঅ।
হালিক কিজুদিন পরে ত্যা ঝারঅত জেইনেই  ত্যা হুরোলআন পেলঅগোই। মোনো মাধাত জিদু ত্যা গাচ কাবিবাত্তেই জেদঅ সিদু ত্যা তা হুরোলআন পেলঅগোই।
ত্যা তা হুরোলআন পেবার পরে হুব হুজি উইয়্যে। সে পরেত্তুন ধুরি ত্যা গুরো শ’বোরে আর সন্দেহ নহ গরে।
বরঙ ত্যা দিঘিলঅ, বা চিদে গুরিলঅ। গুরো শ’বো দ বুউত গম! তারে দঅ চুরঅ ধক ন লাগে। তা কধা কঅনা.আহদানা. মুঅ ভাবসাব বেক্কানি ত্যা গম চোঘে দেঘা শুরু গুরিলঅ।
চিগোন শিক্কেমুলক এ গল্পবোর মানে অহলঅদে আমি আমা মনগজা গুরিনেই বেক চিদেআনি গুরি। আমি মনঅত আমনঅ ধুক্কেন চিদে বানি থেইনেই কারঅজনঅরে মাবি বা তারে আমনঅ চিদে ধগে চিদে গুরি। আমি কারঅরে সেনোত্তই বিচ্চেচ বা অবিশ্বাস জেই, কারঅরে ত্যা জিদিক্কেন নয় সিদিক্কেন চিদে গুরি।
আমা হিল চাদিগাঙঅ রাজনীতি কধাইও ধুরি! আমি দি দ’লে তিন দলে কুজ্জ্যা বাজেই চিগোন কনঅ সমস্যাত্তেই। মরামরি মারামারি গুরিদেই সন্দ বা সন্দেহ গুরিনেই।
আরোগ্গো গল্প কধা ইওত কঙঅর। একজনে মাস্তর এলঅ। ত্যা এগ্গান বিদ্যা শেঘেদঅ। ধরা জোক সিআন গুপন বা গোপন বিদ্যা। ত্যা নিজেই নিয়ম বানেদঅ, শৃঙ্খলা থিগ গত্তঅ। আর যারা বিদ্যা শিঘা এদাক তারারে ত্যা সে নিয়মআনি কড়া গুরি পালেবার কদঅ। ত্যা শাস্তি দি’দঅ দড়মড় গুরি।
হালিক ত্যা দোরেদঅ, কনঅজনে তাত্তুন বেচ বিদ্যা শিঘিএ অহবঅ কি না। সেনোত্তেই ত্যা সতর্ক সজাগ গুরি থেদঅ। ত্যা দোলে দালে বিদ্যা শিক্ষ্যা শেঘেই ন দি’দঅ। জিবে তা উগুরে বা তাত্তুন বেচ শিক্যা লঅদঅ বা পারিদঅ বা পারিবার চে’দঅ সিবেরে ত্যা নানা বাবত্যা গুরি থ্যাগেবার চে’দঅ।
সিদিক্কেনগুরি তার দিন কাদিলঅ। তার বুউত শত্তুর অহলাক।
এ গল্পবোর এগ্গান শিক্যা অহলঅদে, একজনে জুনি আরঅগ জনঅরে শত্তুরঅ ধুক্কেন গুরি রিনি চাই, আর সেনজান গুরি তাল্লোই আচরণ গরে, বেবঅআর গরে তোইলে একসময় জ্যা বা জি’বে তারে বল দিবার কধা বা সহযোগী অহবার কধা কাইকুরে থ্যাবার কধা সিবে একসময় হয়তঅ তার শত্তুর ওই জাই বা শত্তুরঅ ধুক্কেন ওই জাই।
অকারণে সন্দ বা সন্দেহ গুরিনেই কারঅরে শত্তুর বানেনেই কী ই বা লাভ?!
যে লেঘাআনঅত্তুন এ লেঘাগান লিঘিবার উচ্চো পিওঙ: সিআরআই
But the fable ends with this: If you see the other guy as a potential rival and deal with him accordingly, you will turn a possible partner to a possible enemy.

Saturday, May 2, 2015

চাঙমা উপন্যাস চাই মানে কী?

বাঙালঅদেজঅর সমাজ-মানজোরে কোচপিএ একজন লিঘিয়্যে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস-এ ভালকদিন আঘে ‘চাকমা উপন্যাস চাই’ নাঙে এগ্গান লেঘা লিক্কে। সিওত ত্যা চাঙমাউনোর চাঙমা  ভাচঅন্দি উপন্যাস লেঘানা দরকার ভিলি কমেন গুজ্জে। তা এই লেঘাগান চাঙমা লিঘিয়্যেউনোরে নানাভাবে ইনফ্লুএন্স গুজ্জে। কনঅজনে তা লেঘাআনঅর মানে ন বুজিনেই পোল্লেম চাঙমা উপন্যাস লিঘিয়্যে হোলেবার নাঙ গুরি ‘চাঙমা উপন্যাস’ লিঘিও ফিল্লোন!
হালিক তা লেঘাগানঅর মানে বোধঅয় আমি পুড়িএউনে এবঅ সঙ ন বুঝি!
সে বিষয়ে কধা ক’বার আঘে এগ্গান কধা কঙ, উপন্যাস অহলদে আধুনিক যুগঅর এগ্গান অনুষঙ্গ। এগ্গো জাদঅর দাঙঅর অহবার বা জাদঅর উজোনি জেবার লক্কন অহলদে সে জাদঅর ভাচঅত উপন্যাস লিঘিয়্যেউনে কেনজান নিদেনগুরি তারা জাদ-সমাজঅর জীঙানি-পত্তিদিনঅর চালচলন-মন-মনঅ কধা সিআনি ফুদি তুলি পাজ্জোন সিআনঅ উগুরে নির্ভর গরে ভিলি কোআ অহয়।
আর সে জাততোর ভাচঅত ডেইলি পত্রিকা-ম্যাগাজিন-সাইত্য পত্রিকা চেইনেই হবর পাআ জাই, সে জাততোর উজোন্দি বা মাচ্যুরিটি কেনজান উইয়ে্য সিআনি।
উগুরে এ বিষয়আন হেআল গুরিনেই মুই আখতারুজ্জান ইলিয়াসঅর ‘চাকমা উপন্যাস চাই’ লেঘাআনঅর কিজু মত বা কমেন বা মন্তব্য বিষয়ে কিজু কধা তুলি ধুরিম।
ত্যা তা লেঘাআনঅত কুইয়্যে, চাঙমা ভাচঅ ভিদিরে হোবিতে চর্চা বুউত উইয়্যে। চাঙমা জাদঅর মনঅ দুঘঅ কধা, রাগঅ কধা, অগঅমানঅ কধা ইআনি হোবিতেত দোলে ফুদি উত্তে।
আখাতারুজ্জামানে লিক্কে-
আবার তাদের পালাবার পালা। তবে এবার শুধু পালানো নয়। আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন এবার তারা ফুটিয়ে তোলে স্পৃহায়, সেই স্পৃহা বিস্ফোরিত হয় সংকল্পে। চাকমারা, পাহাড়িরা রুখে দাড়ায়।
চাকমা কবিতা আজ এই আত্মপ্রতিষ্ঠার সংকল্পে উত্তেজিত। নরনারীর প্রেম সেখানে গৌণ। প্রকৃতি, কেবল প্রকৃতি বলে কবিতায় ঠাঁই পায় না, প্রকৃতির হৃতসর্বস্ব চেহারা তাদের ক্রোধের কারণ। তাদের প্রকৃতি অন্য পেশিসর্বস্ব শক্তির দ্বারা লুন্ঠিত ও বিধ্বস্ত। …।
চাকমা কবিতা আজ গৃহচ্যুত, মৃত্যু ও হত্যায় নীল এবং একই সঙ্গে প্রতিরোধের সংকল্পে রক্তাক্ত।’
চাঙমা জাদঅ উগুরে নানা রিপ্রেশান-নিরজাতন-কস্ত লাগানা ইত্যাদি নানা কারণে চাঙমা জাদঅর মানুচ্চুনে তারা মনঅত দুক-কস্তঅ-রাগ ফুদে তুল্লোন তারা হোবিতেত।
হালিক বানা রাগ দুগ মনঅত বানি থানাই কী তোইলে সার কধা বা শেজ কধা!?
আখতারুজ্জামানে লিক্কে- “কবিতা হল মানুষের অনুভূতির সারাৎসার।”
অরথাত, হোবিতে অহলঅদে বানা মনঅ কধা ফুদে তুলিবার এগ্গান চিগোন চাগোন মাধ্যম মাত্র। সিওত বানা চিগোন গুরিনেই গোদা বেক্কানঅর বা মনঅত দুগঅর  কধাআনঅর তলাআন উধি এজে। হোবিতের ইআনওই সীমাবদ্ধতা।
অরথাত হোবিতে এগ্গো জাদঅর দুগঅ কধা, কস্তঅর কধা, তার আ উগুরে নানা আগাজঅ বাচ পুরিবার কধা ইআনি বাকবাক্যা গুরি ফুদে তুলি ন পারে। হোবিতেলোই সিআনি ফুদে তুলা ন জাই।
এগ্গো জাদঅর সে জিনিচ্চানি ফুদে তুলঅদে দরকার আরঅ অন্য সাইত্য মাধ্যম। এবং আর সিআনওই অহলঅদে বা সে মাধ্যমআনওই অহলঅদে উপন্যাস।
আর আখতারুজ্জান ইলিয়াসে সে দাঙর মাধ্যমআনওই বেবঅআর গুরিবাত্তেই কো্জুলি গুজ্জে লিঘিএউনোরে।
ত্যা লিক্কে-
“কিন্তু কেবল অনুভূতি ও প্রতিক্রিয়া আর সংকল্প দিয়ে চিহ্নিত হবে না, এর সবই আসবে জিজ্ঞাসা আর বিশ্লেষণের ভেতর দিয়ে। কেবল তখনই চাকমা আধুনিক ব্যক্তি তার জীবনজাপনে চাকমা ইতিহাস, সংগ্রাম ও ঐতিহ্যকে নতুনভাবে সন্ধান করার উদ্যোগ নেবে।”
বানা দুঘঅত আঘঙ, কস্তঅ পাঙর, চিদিরে-সেতলারউনে আমারে মারে ফেলেলাক জালে ফেলেলাক, শেজ গুরি ফেলেলাক, আমি  আর নেই আর, আমি দ শেজ ওই জিএগোই, আমা জাগাজুমি ভুই সয় সম্পত্তি কাড়ি ললাক, আমারে উবোত গুরি ফেলেলাক এই মনঅ দুগঅ কধা বানা কোই থ্যালে ন অবঅ আর।
কিত্তেই আমি এই দুগ-কস্তঅ পেইর, কিঙেরি এই দুগঅত্তুন কস্তঅত্তুন মুক্তি পেবঙ সে চিদেও আমাত্তুন আমা জাদঅত্তুন গরানা দরকার।সিআন বানা সমাজঅত, রাজনীতিত-ব্যক্তি জীঙানিত নয়, সিআন সাইত্যত লেঘাতঅ বা উপন্যাস অহলে উপন্যাসঅতঅ আমার ফুদেই তুলা পুরিবঅ।
ইক্কিনে পুজোর বা প্রশ্ন অহলঅদে আমি কি আমা সমাজঅত, জাদঅত, রাজনীতিত সে বিশ্লেষণঅত জেই? আমি কী কিত্তেই এনজান অহর, কী গল্লে কী পধ ধল্লে বা ফোলো গল্লে এই দুগঅতত্তুন মুক্তি পেবঙ সে চিদে গুরি?
এগ্গো জাদঅর প্রকৃত মুক্তি নিজঅত্তুনও্ই আনা পরে। আমি কি মুক্তির পধ লোইনেই চিদে গুরি। আমি কি তলবিচ গুরি আমা জাদঅর দুগ কস্তঅ লোইনেই? কিঙিরি মুক্তি পেবঙ সিআন লোইনেই বিশ্লেষণ গুরি?
জ্যা জা-ই কোদোক না ক্যানঅ, আমা জাদঅর সাইত্য হালিক এ প্রশ্নআনির উত্তর  নেতিবাচকভাবেই দ্যা। না, আমি আজলে হুম্বিক হেই, কস্তঅ পেই-দুগ পেই, আমার রাগ উধে, আমি রাগে শোজেই; হালিক আমি আজলেই বিশ্লেষণ ন গুরি।
জুনি গত্তঙ, তোইলে, আমি আখতারুজ্জামানঅ কধামতে হোবিতে ন লিঘিনেই উপন্যাস লিঘিলোঙুন! আমি তলবিচ গুরি চেলঙউন!
আর উপন্যাস মানেই অহলঅদে বিশাল বিরটা ক্যানভাস, বিরাট তার ব্যাড়/বেড়, বিরাট তার সময়, ভালুক্কুন তার মানুচ, ভালক্কানি তার মন, ভালক্কানি তার মনঅ কধা, ভালক্কানি তার সমস্যা।
আখতারুজ্জামান ইলিয়াসে আক্ষরিকভাবে বানা উপন্যাস লিঘিবাত্তেই কুইয়্যে সিআন নয়, ত্যা আজলে জাদঅর উপন্যাস লিঘিবাত্তেই কুইএ। ত্যা কুইয়্যে বানা ব্যক্তি নয় সমষ্টি লোইনেই চিদে গুরিবাত্তেই। 
আর সে কামআনওই ইক্কো আমা চাঙমা জাদঅর সাইত্যিক-সমাজঅ চিদে গুরিএ-রাজনীতিবিদ-সংস্কৃতি কর্মীউনোত্তুন গরা পুরিবঅ। 
আমার কি সে সেদাম আঘে?!!

সর্বাধিক পঠিত

ইতিহাসের ভ্রান্তি থেকে বিভ্রান্তিকর শিক্ষাঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রসংগ-১৯৪৭ সাল

ইতিহাসের ভ্রান্তি থেকে বিভ্রান্তিকর শিক্ষা তারিখঃ ১৬ আগস্ট, ২০১৭ ইতিহাস একটি জাতি বা জাতিসত্তা তথা জাতিসমষ্টিকে নানাভাবে প্রভাবিত কর...